আমাদের শুরুর গল্প
কয়েক বছর আগের কথা। ঢাকার একটা ছোট্ট অফিসে কয়েকজন তরুণ একসাথে বসে চিন্তা করছিলেন — বাংলাদেশে অনলাইন স্পোর্টস বেটিংয়ের অভিজ্ঞতাটা কেন এত কঠিন? ইন্টারফেস বাংলায় নেই, পেমেন্ট ঝামেলার, সাপোর্টে ইংরেজিতে কথা বলতে হয় — সাধারণ বেটারদের জন্য পুরো ব্যাপারটাই বিদেশি মনে হয়। সেই সমস্যার সমাধান থেকেই জন্ম হয়েছিল jeetabet-এর।
আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে যেটা বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা। যেখানে একজন ঢাকার রিকশাওয়ালাও তার পুরনো স্মার্টফোন থেকে সহজে বেট করতে পারবেন, এবং সিলেটের একজন ব্যবসায়ীও নিরাপদে তার জেতা টাকা তুলতে পারবেন — বিকাশে, মিনিটের মধ্যে।
jeetabet শুরু থেকেই বাংলাদেশের বেটারদের কথা মাথায় রেখে পথ চলছে। বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট, বাংলায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস, বাংলায় সাপোর্ট — এগুলো কোনো বাড়তি সুবিধা নয়, এগুলোই আমাদের মূল পরিচয়।
"বাংলাদেশের বেটারদের জন্য এমন একটা জায়গা দরকার ছিল যেখানে তারা নিজেদের ভাষায় কথা বলতে পারবেন, নিজেদের পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন এবং নিরাপদে বেটিং উপভোগ করতে পারবেন।"
আমরা কী বিশ্বাস করি
jeetabet বিশ্বাস করে যে স্পোর্টস বেটিং একটা বিনোদন — দায়িত্বশীলভাবে করলে এটা স্পোর্টস দেখার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। একটা বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে যখন কোহলি ব্যাট করছেন, তখন jeetabet-এ বেট রাখলে প্রতিটি বলের টেনশন দ্বিগুণ হয়ে যায়। সেই অনুভূতিটা আমরা দিতে চাই — সৎভাবে, নিরাপদে।
আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতায়। jeetabet-এর অডস বাজারের সেরাগুলোর মধ্যে একটি, কারণ আমরা চাই বেটাররা সঠিক মূল্যে বেট করুক। আমরা বিশ্বাস করি দ্রুততায় — কারণ জেতার পর উত্তোলনে দেরি হলে বিশ্বাস নষ্ট হয়। আর আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীলতায় — বেটিং যেন কখনো বোঝা না হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের জন্য আলাদাভাবে তৈরি
অনেক বেটিং প্ল্যাটফর্ম আছে যারা বাংলাদেশি বেটারদের টার্গেট করে কিন্তু আসলে বাংলাদেশিদের কথা ভাবে না। তাদের সাপোর্ট ইংরেজিতে, পেমেন্ট আন্তর্জাতিক কার্ডে, ইন্টারফেস বিদেশিদের জন্য। jeetabet এই জায়গাটাতেই আলাদা।
আমাদের পুরো সিস্টেম বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি। মোবাইল ইন্টারনেটের গতি মাথায় রেখে পেজ অপ্টিমাইজ করা, বিকাশ-নগদের নির্ভরযোগ্যতা মাথায় রেখে পেমেন্ট গেটওয়ে ডিজাইন করা, বাংলাদেশের ক্রিকেট সময়সূচি মাথায় রেখে লাইভ মার্কেট সক্রিয় রাখা — এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই jeetabet-কে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে jeetabet ব্যবহার করা যায়। আলাদা কোনো সফটওয়্যার লাগে না, শুধু একটা স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট।